শনিবার । ২১শে মার্চ, ২০২৬ । ৭ই চৈত্র, ১৪৩২

রমজানের কাজা রোজা আগে রাখতে হবে নাকি শাওয়ালের ৬ রোজা?

গেজেট প্রতিবেদন

মহিমান্বিত মাস রমজান বিদায় নিয়ে শাওয়াল মাসের প্রথম দিনে দেশজুড়ে উদ্‌যাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। চন্দ্রবর্ষের দশম মাস শাওয়াল হজের মাসগুলোর মধ্যে একটি। গুনাহ মাফ ও তাকওয়া অর্জনের মাস রমজানের পর ফজিলতপূর্ণ মাসগুলোর মধ্যেও এই মাস অন্যতম। এ ক্ষেত্রে শাওয়াল মাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো- এ মাসে ৬টি রোজা রাখা।

বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসেও রমজানে পুরো মাসব্যাপী রোজা রাখার পর শাওয়াল মাসে ৬টি নফল রোজা রাখার কথা এসেছে। অনেকেই এটিকে ‘সাক্ষী রোজা’ হিসেবেও অবহিত করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে শাওয়াল মাসে ৬টি রোজা রাখলে সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়।

আবু আয়্যুব আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- যে ব্যক্তি রমজান মাসের সিয়াম (রোজা) পালন করলো, তারপর শাওয়াল মাসে ছয় দিনকে তার অনুগামী করলো (অর্থাৎ, ৬টি সিয়াম বা রোজা পালন করলো), সে যেন সারা বছর রোজা রাখলো। (সুনাত আত তিরমিজি, হাদিস: ৭৫৯; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬২৯)

তবে কোনো কারণে রমজানে যাদের রোজা কাজা রয়েছে, তাদের অনেকেই শাওয়ালের রোজা রাখার ক্ষেত্রে দ্বিধায় পড়েন। বিশেষ করে নারীরা ঋতুস্রাবজনিত কারণে কাজা হওয়া রোজা আগে রাখবেন নাকি শাওয়ালের ৬ রোজা আগে রাখবেন, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগেন। এমন ক্ষেত্রে কোন রোজা আগে রাখতে হবে?

ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মিজানুর রহমান আজহারীসহ বেশিরভাগ আলেমদের মতে, যাদের ভাঙতি রোজা বা কাজা রোজা আছে, কিংবা অসুস্থতা বা হায়েজ-নেফাসের (মাসিক) কারণে রমজানের রোজা অপূর্ণ রয়েছে, তাদের জন্য নিয়ম ও করণীয় হলো শাওয়াল মাসে তারা আগে রমজানের ভাঙতি রোজাগুলো রাখবেন। এরপর শাওয়ালের ৬ রোজা রাখতে হবে।




খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন